শিবলিঙ্গ পূজার সময় ভুল করেও করবেন না এই কাজ গুলি, তাহলে আপনার অমঙ্গল হবে

শিব হল ধ্বংসের দেবতা। শিব যদি রুষ্ট্র হন তাহলে সৃষ্টি, স্থিতি বিপদাপন্ন হবে। তাই দেবাদিদেব মহাদেবকে রুষ্ট্র করা উচিৎ নয়। আবার মহাদেব অল্প তে সন্তুষ্ট হন অল্প সাধনতে তাঁর কৃপা লাভ করা যায়। শিবলিঙ্গ হল শিবের প্রতিক চিহ্ন। বেশির ভাগ শিব মন্দির গুলোতে শিবের মূর্তি পূজা না করে শিব লিঙ্গকে পূজা করি। শিবলিঙ্গের মাথায় তিনটি সাদা দাগ রয়েছে যা শিবের কপালে থাকে।

শিবলিঙ্গ তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত হয়। সবচেয়ে নীচের অংশ কে বলে ব্রহ্ম পীঠ, মাঝের অংশ কে বলে বিষ্ণু পীঠ, উপরের অংশ কে বলে শিব পীঠ। শিবলিঙ্গ হল শিবের আদি অন্ত হীন সত্ত্বার প্রতীক এবং আদি ও অন্তহীন স্তম্ভের রূপ বিশেষ। দেবাদিদেব মহাদেব হলেন ধ্বংসের দেবতা ।যখন তখন রুদ্র মুর্তি ধারন করে। তাই মহাদেবকে সন্তুষ্ট করার জন্য বাড়িতে শিবলিঙ্গ রাখেন। বাড়িতে শিবলিঙ্গ রাখলে কিছু নিয়ম মেনে চলা উচিৎ। না মেনে চললে লাভের চেয়ে ক্ষতি বেশি হবে। যে সব নিয়ম গুলো আপনাদের মেনে চলতে হবে তা নিম্নে আলোচনা করা হল…

১. বাড়ির এমন কোন জায়গায় শিবলিঙ্গ রাখবেন না যেখানে আপনি নিত্য পূজা করতে পারবেন না। এমন কোন জায়গায় শিবলিঙ্গ রাখুন যেখানে আপনি নিত্য পূজা করতে পারবেন।

২) মহিলারা সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য হলুদ ব্যবহার করে থাকেন। কখনও শিবলিঙ্গে হলুদ দেবেন না কারণ শিব হল ঔরসের প্রতীক।

৩) স্বামীর দীর্ঘায়ু কামনায় স্ত্রীর লোকেরা সিন্দুর পরেন। শিব হল ধ্বংসের দেবতা তাই শিবলিঙ্গে সিঁদুর দেবেন না। এতে স্বামীর ক্ষতি হবে।

৪) শিব লিঙ্গের অবস্থান পরিবর্তন করতে চাইলে আগে থেকে ঠান্ডা দুধ ও গঙ্গা জল দিয়ে শিবলিঙ্গ ধুয়ে নিন।

৫) শিবলিঙ্গ সোনা, রূপা বা কোন ভালো ধাতু বা পাথর দিয়ে তৈরি করা উচিৎ। শিবলিঙ্গের মাথার উপর সাপ থাকে যেন।

৬) শিবলিঙ্গের কাছে গনেশ ও পার্বতীর ছবি রাখুন। এটি শুভফলদায়ক।

৭) শিবলিঙ্গে তুলসী পাতা দিবেন না। শিবলিঙ্গে চন্দনের টিকা দিন এবং মাথার উপর বেল পাতা রাখুন। এতে শিবলিঙ্গ অনেকক্ষণ ঠান্ডা থাকে।

৮) শিবলিঙ্গ নারকেলের জল দিবেন না। সবসময় ডাবের জল ব্যবহার করুন।

৯) বেল হল আয়ুর প্রতীক তাই প্রতিদিন সম্ভব হলে শিবলিঙ্গকে বেল প্রদান করুন। এর ফলে আপনার আয়ু বাড়বে ।

১০) শিবলিঙ্গে রঙিন ফুল দেবেন না। কারন শিব রঙিন ফুল পছন্দ করেন না। শিবকে সন্তুষ্ট করতে হলে শিবলিঙ্গে সাদা ফুল দিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button