ভারতকে গরীব বলে অপমানিত করেছিলেন আমেরিকার এই পপস্টার, মেয়ের বিয়েতে নাচিয়ে শিক্ষা দিয়েছিলেন আম্বানি

বর্তমান যুগকে সোশ্যাল মিডিয়ার যুগ বললে কিছু ভুল হবে কি? একদমই না। এখন আট থেকে আশি সকলেই সোশ্যাল মিডিয়ার দিওয়ানা।

এমন কোনো জিনিস নেই যা সোশ্যাল মিডিয়ায় পাওয়া যায় না। তা সে পুরনো বন্ধুকে আবার ফিরে পাওয়া হোক বা নতুন বন্ধুত্ব করা হোক, অথবা দৈনন্দিন জিনিস কেনা হোক।

আমরা সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার করে চিনি থেকে শুরু করে বইও কিনতে পারি। সোশ্যাল মিডিয়ার পাওয়ার এতটাই বেড়ে গেছে যে মুহূর্তে যেকোন মানুষকে উন্নতির চরম শিখরে নিয়ে যেতে পারে, আবার মাত্র কয়েক সেকেন্ডেই তাকে নিচে ফেলে দিতেও পারে।

আজ সোশ্যাল মিডিয়ায় বহুল সংখ্যক মানুষ ব্যবহার করে। তাই এখানে প্রতিদিন কোন না কোন ভিডিও, কোন না কোন খবর ভাইরাল হতেই থাকে।

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট ভাইরাল হচ্ছিল। যেখানে লেখা ছিল “পড়বে ইন্ডিয়া, তবেই তো এগোবে আমেরিকা”। আমরা সকলেই ভালো করে জানি আমেরিকা নিজেকে শক্তিশালী রাষ্ট্র বলে থাকে। হয়তো কিছু ক্ষেত্রে এ কথা ঠিক, কিন্তু পুরোপুরি নয়।

আপনারা জানলে অবাক হবেন আমেরিকার সব বড় বড় কোম্পানিতে বেশিরভাগ কর্মরত ভারতীয়। মাইক্রোসফট কোম্পানির কথা বলা হোক বা গুগলের সিইওর, সবেতেই ভারতীয় বংশোদ্ভূতরা কাজ করছে।

ভারত এমন একটা দেশ যে সব ক্ষেত্রেই নিজেদের নাম উজ্জ্বল করেছে। দেশের বাইরেই নয়, দেশেও এমন অনেক বিজনেসম্যান আছে যারা অনেক বড় বড় বিদেশি বিজনেসম্যানদের টক্কর দিতে পারে।

আমেরিকার বিখ্যাত পপস্টার বিয়ন্সে একবার বলেছিলেন ভারত একটি গরিব দেশ। এরপর এমন কিছু ঘটলো যে ভারতে এসেই তাকে এক বিজনেসম্যান এর মেয়ের বিয়েতে সারারাত পারফরম্যান্স করতে হয়েছিল। এই বিজনেসম্যান আর কেউ নয়, মুকেশ আম্বানি নিজে।

জানা যায় মুকেশ আম্বানির মেয়ে ঈশা-র প্রিয় পপস্টার বিয়ন্সে। তাই নিজের মেয়ের বিয়ের উপহার হিসেবে বিয়ন্সেকে তার বিয়েতে পারফরম্যান্সের জন্য ডেকে আনেন মুকেশ আম্বানি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button