এই সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে করলে পাওয়া যাবে ১২০০ কোটি টাকা, তবুও কেউ করছে না কেন! কারণ জানলে চমকে যাবেন

বিয়েতে টাকার খেলার কতা নতুন কিছু নয়। বারবার বিভিন্ন বিয়েতে টাকার খবর প্রাধান্য পেয়ে এসেছে একথা সত্যিই। তবে তা হয়তো কখনও আয়োজনের সময় খরচের সাপেক্ষে অথবা কখনও পণ সংক্রান্ত ব্যাপারে। এর অন্যথা কি কখনও ভাবতে পেরেছেন? এই ধরুণ যদি আপনাকে বলা হয় নিজের মেয়েকে কেউ বিয়ে করলে তাকে পুরস্কার স্বরূপ ১২০০ কোটি টাকা উপহার দেবে মেয়ের কোটিপতি বাবা! তবে অবাক হবেন তো? আশা করি অবশ্যই হবেন। অবাক হওয়াটাই স্বাভাবিক । আর অনেকটা স্বাভাবিক অবিশ্বাস করাটাও।

তবে এক্ষেত্রে অবিশ্বাস করে লাভ নেই, কারণ এই ঘটনা হতবাক করে দেওয়ার মত হলেও গূঢ় সত্য। মেয়ের বিয়েতে প্রবল অনিচ্ছা থাকার কারণে মেয়ে সিজিয়া চেইন এর বিবাহের জন্য ১২০০ কোটি টাকা পুরস্কার ঘোষণা তার বাবা। হংকং এর শিল্পপতি তেনজিং চেইনের মেয়ের বিয়ে ঘিরে এমনই রহস্য লুকিয়া আছেন।

বরাবরই বিয়েতে অনীহা ছিলো সিজিয়ার। শুধু বিয়েই নয় কোনো পুরুষের সাথে যৌনতাও পছন্দ করতেন না তিনি। অন্যদিকে তার পুঁজিপতি বাবার একদমই পছন্দ ছিলোনা মেয়ের এহেন ভাবনা। বাবা হওয়ার দরুণ তিনি বরাবরই চাইতেন যে কোনো আড়ম্বরপূর্ণ ঘরে বিয়ে হোক নিজের মেয়ের। কিন্তু অন্যদিকে মেয়ের ইচ্ছার সম্পূর্ণ বিরোধে বাবার এই ইচ্ছা । মেয়ে সিজিয়া বিয়েতো দূরের কথা কোনো পুরুষের সাথে বন্ধুত্ব স্থাপনও করতে চাইতেন না।

তাই বাধ্য হয়েই তার শিল্পপতি বাবা চেয়েছিলো মেয়ের এরকম পুরুষদের প্রতি অনিচ্ছাটা কাটিয়ে তুলতে। তাই এরকম প্রস্তাব রেখেছিলেন এব রীতিমত ঘোষণাও করেছিলেন যে কোনো পুরুষ যদি তার মেয়েকে বিয়ের জন্য প্ররোচিত করতে পারেন তার ফলস্বরূপ সে পাবে ১২ হাজার কোটি টাকা।

টাকার অঙ্ক বলতেই, সেই লোভে অয়ংখ্য প্রস্তাব আসতে শুরু করে । তাবে তার মেয়ের মধ্যে কোনোরকম ইচ্ছার বিন্দুবিসর্গও আগমন না ঘটায়, প্রায় ৫০,০০০ টা প্রস্তাব ফিরে যায়। অন্যদিকে মেয়ের এরকম অবস্থা দেখে বিমুর্ষ হয়ে পরেন বাবা প্রথম দিকে। তারপর মেয়ের চিকিৎসা করাতে, ডাক্তার বলেন যে তার মেয়ে সিজিয়া সমকামী। পরে অবশ্য মেয়ের এই সমকামীতা মেনে নেন তিনি।

বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় আর জোর করেনি তিনি মেয়েকে। পরবর্তীকালে এমন লিঙ্গ বৈষম্যতা কাটিয়ে উঠে, নিজেই একটি ছেলেকে বিয়ে করেন সিজিয়া ২০০৯ সালে। তবে তিনি কাটিয়ে কিভাবে উঠলো সেটাই প্রশ্নের!

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button