এই পরিবারের ছয় জন মেম্বার এর মধ্যে চার জনই IPS অফিসার

প্রতাপগড়ে 2ঘরে থাকতেন 6 জনের পরিবার আজ চারজন আইএএস-আইপিএস অফিসার।

প্রত্যেক মা বাবাই চায় যে তার সন্তান বড়ো হয়ে এমন সফলতা অর্জন করে যাতে সে বড়ো হয়ে কোনো অসুবিধাই জীবনযাপন না করে,প্রত্যেক মা বাবাই চায় তাদের সন্তান এমন সফলতা অর্জন করে যার ফলে তাদের নাম উজ্জ্বল হয় এবং সবাই তাদেরকে সন্তানের নামেই চেনে।তো আজ আমরা আপনাকে এমন এক পরিবারের সমন্ধে বলতে যাচ্ছি যেই পরিবারের সন্তানরা তাদের মা বাবার স্বপ্ন পূরণ করেছে।

এই পরিবারের একটি না বরং চারটি সন্তানই নিজের মাতা পিতার এমন স্বপ্ন পূরণ করেছে যার স্বপ্ন প্রত্যেক মা বাবাই দেখে।তো চলুন আমরা আপনাকে বলি ওই পরিবারের সম্পর্কে এবং জেনে ফেলি ওই পরিবারের কাহিনী।

হ্যাঁ,এই কাহিনী হচ্ছে প্রতাপগড়ের লালাগঞ্জ তহশীলের অধিবাসী অনিল মিশ্র এর যার স্বপ্ন ও অন্যান্য বাবা মার মত ছিল যে তার সন্তান ও তাদের নাম যেন উজ্জ্বল করে।

6 জনকে নিয়ে এই পরিবার অনিল মিস্রা ও তার স্ত্রী এবং চার সন্তান(দুই মেয়ে ও দুই ছেলে)।এর মধ্যে যখন কোন অতিথি তাদের বাড়িতে এসে উপস্থিত হত তখন তাদের খুবই কঠোর পরিস্থিতিতে পড়তে হত।যার কারণে তাদের পড়তে খুবই কষ্ট হত।এনারা সবাই ক্লাস১২ পর্যন্ত নিজেদের গ্রাম লালগঞ্জেই পড়াশুনা করেন।

অনিলের সব থেকে বড় ছেলের না যোগেশ।যোগেশ মতিলাল নেহেরু রাষ্ট্রীয় ইনস্টিটিউট থেকে বি টেক পাস করে যার পর সে সরকারি চাকরি পায় এবং নোএডা চলে আসে।কিন্তু সে সিভিল সার্ভিসের পড়া চালু রাখে ও IAS পরীক্ষা পাস করে।এখন যোগেশ কলকাতায় রাষ্ট্রীয় তোপ ও গোলা নির্মাণের প্রশাসনিক অধিকারী।অনিলের এই সফলতায় পরিবার খুব খুশি কিন্তু এটা তাদের খুশির শুধুমাত্র একটি আরম্ভ বটে।

যোগেশ এর পর তার বোন সীমা মিশ্র ও IAS পরীক্ষায় উর্ত্তীণ হন।তিনি এখন কর্ণাটকে।এরপর অনিলের তৃতীয় সন্তান মাধবী মিশ্র IAS পরীক্ষায় উর্ত্তীণ হয় এবং তিনি এখন ঝাড়খণ্ডের কেডিরের আইএএস।বর্তমানে, তিনি কেন্দ্রের বিশেষ প্রতিযোগিতায় দিল্লিতে পোস্ট করেছেন।

একই সময়ে, অনিলের চতুর্থ সন্তান লোকেশ মিশ্রও আইএএস পরীক্ষায় পাস করেছেন। যোগেশকে তার পরিবারের এই সাফল্যের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে, তিনি বলেন যে, তিনি যেই সময়ে নোয়াডে কাজ করছেন, সেই সময় তার দুই বোন সীমা -মাধাবী দিল্লিতে আইএএসের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। রক্ষা বন্ধনের একদিন আগে, উভয়েরই পরীক্ষার ফল আসতে চলেছিল, যা উভয়ই যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি ,যার কারণে তিনি বেশ হতাশ ছিলেন।

তার বোনদের মুখে এই হতাশার চিহ্ন দেখে তিনি তার বোনদের কাছে গিয়ে তাদের উৎসাহিত করেন এবং এই সাথে মনে মনে যোগেশ নিশ্চিত করেন যে তিনি প্রথমে নিজেকে আইএএস অফিসার হিসাবে তৈরি করবেন ,তারপরে তিনি তার ভাইবোনদের পথপ্রদর্শন করবেন। তারপর তিনি ভীষণভাবে প্রস্তুতি শুরু করেন এবং প্রথম প্রচেষ্টায় তিনি আইএএস পরীক্ষা পাস করেন। আর এর ফলস্বরূপ আজ তাদের তিন ভাই ও বোন অফিসার।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button