1. ekhonbartabd@gmail.com : দৈনিক এখন বার্তা : দৈনিক এখন বার্তা
  2. info@www.ekhonbarta.com : দৈনিক এখন বার্তা :
শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫, ০৬:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
৫১ জেলে আরাকান আর্মির কাছে জিম্মি রয়েছে: বিজিবির সেক্টর কমান্ডার সেভ দ্য কক্সবাজার’র মানববন্ধন কর্ণফুলীতে ভাসছিল অজ্ঞাত ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ কক্সবাজারে নদীতে ডুবে নিখোঁজ কিশোরের মরদেহ ৩৮ ঘণ্টা পর উদ্ধার চকরিয়া সরকারি হাসপাতালের এসি ও বিভিন্ন পার্ট সহ চুরি গ্রেফতার ২ সাংবাদিকদের ওপর পুলিশি নির্যাতনের প্রতিবাদ বিএফইউজে-ডিইউজের ৮০ হাজার ইয়াবাসহ কাভার্ডভ্যানের চালক-হেলপার গ্রেফতার পঁচা বরই ও তেতুল দিয়ে ‘সুস্বাদু’ আচার তৈরি,অপরাধে ৩ লক্ষ টাকা জরিমানা আনোয়ারা পারকি সৈকতে নির্মাণকাজ পরিদর্শনে : পর্যটন উপদেষ্টা কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল, ছয় বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যায় যুবকের মৃত্যুদণ্ড

জামালপুরে মোবাইলের আলোতে সেবা দিচ্ছেন নার্স, রোগীদের ভোগান্তি

উৎসবের আলো
  • প্রকাশিত: সোমবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৫
  • ৮১ বার পড়া হয়েছে

 

 

গাজী মাজহারুল ইসলাম জামালপুর

 

জামালপুরে মোবাইলের আলোতে সেবা দিচ্ছেন নার্স, রোগীদের ভোগান্তি

জামালপুর: সরকারি হাসপাতালগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ থাকার কথা থাকলেও জামালপুরের ইসলামপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিদ্যুৎ না থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন রোগীরা।

সোমবার (০৭ এপ্রিল) এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (০৪ এপ্রিল) রাত ৩টার দিকে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ ছিল না হাসপাতালটিতে।

ভিডিওটিতে দেখা গেছে, হাসপাতালের নারী, পুরুষ ও শিশু ওয়ার্ডসহ ভবনটির বেশিরভাগ জায়গায় বিদ্যুৎ নেই।

তবে হাসপাতালে জরুরি বিভাগে কেউ না থাকলেও একটি বৈদ্যুতিক বাতি জ্বলছিল। অপরদিকে নার্সদের কক্ষেও একটি বাতি জ্বলতে দেখা গেছে।

ভিডিওটি করেছেন গুঠাইল এলাকার বাসিন্দা সাব্বির হোসেন সালমান। তার বোনের পেটে ব্যথা নিয়ে রাত ৩টার দিকে হাসপাতালে যান তিনি।

পরে তার বোনকে ভর্তি করে বেডে দিলে এমন চিত্র দেখেন তিনি।

সাব্বির হোসেন সালমান বলেন, ইমার্জেন্সিতে কোনো ডাক্তার বা নার্স ছিল না। ইমার্জেন্সি ও নার্স রুমে আলো ছিল। আমারসহ বাকি রোগীদের স্বজনদের মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ যাওয়ার এক ঘণ্টা পর আবার এলেও এরই মধ্যে অনেক কষ্ট হয়েছে রোগীদের। এছাড়া রোগীদের স্বজনরা ও আমরা মিলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করতে গেলে কাউকে পাওয়া যায়নি। উল্টো নার্সদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তারা ধমক দেন।

তিনি আরও বলেন, যেখানে রোগীদের জন্য হাসপাতালে সব সময় বিদ্যুৎ থাকার কথা সেখানে লোডশেডিং হলে জেনারেটরের ব্যবস্থা থাকার কথা। এখানে তাও নেই। এটা তো দূরের কথা চিকিৎসকদেরও ঠিকমতো পাওয়া যায় না। রোগীদের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান প্রায় সময় বিদ্যুতের এমন সমস্যা হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এ এ এম আবু তাহের বলেন, ‘আমাদের হাসপাতালে জেনারেটরের ব্যবস্থা আছে, তবে এতো রাতে বিদ্যুৎ চলে গেলে কে আসবে হাসপাতালে। জেনারেটরের অপারেটর নেই আর যিনি চালান তিনি ঈদের ছুটিতে ছিলেন। আর এতো রাতে তাকে কি ফোন দেওয়া যায়। এ বিষয়ে কেউ আমাদের অভিযোগ দেয়নি। দিলে দেখা যাবে। ‘
বিষয়টি নিয়ে জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আজিজুল হক বলেন, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট